Friday, August 31, 2018

অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধে হোমিও চিকিৎসা

অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধে হোমিও চিকিৎসা
...................................................................................
লেকচারার, ডাঃ এম এইচ মোহন

বয়সের সঙ্গে দিন দিন বার্ধক্যের দিকে আমরা সবাই অগ্রসর হই এটাই প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু বয়সের আগেই বার্ধক্য স্বাভাবিক নয়। অনেক কারণেই অকাল বার্ধক্য দেখা দিতে পারে। যেমন-অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, ঘুম কম হওয়া, শারীরিক অসুস্থতা, খাবারে অনিয়ম, অস্বাস্থ্যকর খাবার ইত্যাদি কারণে বার্ধক্য দেখা যায়।
অকাল বার্ধক্যে হোমিও ঔষধ
*অকাল বার্ধক্য দেখা দিলে টনিকের প্রয়োজন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে হোমিও আলফালাফা টনিক নিয়মিত সেবনে সুফল পাওয়া যায়।
*যৌবনকালে যৌনশক্তি অপব্যবহার বা অতিরিক্ত স্ত্রী সহবাসের কারনে অকাল বার্ধক্য দেখা দিলে – এগনাস কাস্ট ৩০ শক্তি হতে উচ্চতর শক্তি পযন্ত সেবনে অব্যর্থ।
*অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের ফলে স্বস্থ্যহীন হলে এবং বার্ধক্যের ছাপ দেখা গেলে – এসিড ফস ৩০ শক্তি, সেলিনিয়াম ৩০ শক্তি হতে উচ্চতর শক্তি ব্যবহারে অব্যর্থ।
*অতিরিক্ত মিষ্টিজাত দ্রব্য খাওয়ার ফলে কিংবা মানসিক পরিশ্রমের কারনে অকাল বার্ধক্য দেখা গেলে –আর্জেন্টম নাইট্রিকাম ৩০ শক্তি হতে উচ্চতর শক্তি ভাল কজ করে।
* অতিরিক্ত অজীর্ণতা কারনে অকাল বার্ধক্য দেখা দিলে – নাক্স ভূমিকা মাদার টিংচার কিছুদিন সেবন করলে সুফল লাভ করা যায়।
বায়োকেমিক
1)Natrum Mur- 6x
2)Natrum phos- 6x
3)Kali phos-12x
4)Calcarea phos-6x
২+২+২+২=৮ বড়ি করে চুষে খেয়ে ১গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করবেন ।
প্রয়োজনে হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ডাঃ এম এইচ মোহন
লেকচারার, চাঁদপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
মোবাইলঃ ০১৭২০-৩৮২৬৪৬

Friday, August 24, 2018

মেনোপজ কী ? মেনোপজ চলাকালীণ সমস্যায় করনীয় ।


লেকচারার, ডাঃ এম এইচ মোহন
...........................................................................................
মেয়েদের ১১-১৪ বছর বয়স থেকে স্বাভাবিক ঋতুচক্র শুরু হয়ে নির্দিষ্ট বয়সের পর বন্ধ হয়ে যায় ৷ মহিলাদের নিয়মিত চক্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার এই পরবর্তী সময়কে মেনোপজ বলে। এ সময় নারীদের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা ও করণীয় বিষয়ে আসুন বিস্তারিত জেনে নিই।

মেনোপজ কী?

হরমোনের প্রভাবে পরিণত মেয়েদের জরায়ু চক্রাকারে একটি পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং প্রতিমাসে যোনিপথে জরায়ু হতে নিঃসৃত দূষিত রক্ত বের হয়ে আসে। ঋতুচক্রের বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরবর্তী সময়কে মেনোপজ বলা হয়৷ কারো যদি টানা বারো মাস ঋতুস্রাব বন্ধ থাকে তাহলেই সেই মহিলার ঋতুবন্ধ হয়েছে বলা হয়। সাধারণত ৫০ বছর বয়েসের পরেই ঋতুবন্ধ হয়ে যায় তবে ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়েসের যে কোনো সময়ের মধ্যে এটা ঘটতে পারে। মহিলাদের জীবনে এটি একটি অত্যন্ত সাধারণ ঘটনা। এটি কোনোরকম রোগ বা ব্যাধি নয়। তাই এ নিয়ে বেশী আতঙ্কের কিছু নেই।

মেনোপজ হওয়ার আগের কিছু উপসর্গ:

মেনোপজের প্রধান উপসর্গ হলো অনিয়মিত পিরিয়ড বা ঋতুচক্র ৷ অর্থাৎ প্রথমেই যে একেবারে পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাবে তা কিন্তু নয় ৷ দেখা যেতে পারে প্রথমে একমাসে দুইবার পিরিয়ড হলো, এরপর তিন মাস পিরিয়ড বন্ধ থাকল, আবার ফের চার মাস নিয়মিত পিরিয়ড হওয়ার পর আবার বন্ধ হলো। মেনোপজের ফলে শরীরের ত্বক খারাপ হয়ে যেতে পারে। অনেকে এসময় খুব মোটা হয়ে বা রোগা হয়ে যেতে পারেন। এছাড়া অন্যান্য উপসর্গগুলো হলো কান-মাথা ঝাঁ ঝাঁ করা বা হট ফ্ল্যাশ, জয়েন্ট পেইন ইত্যাদি।

মেনোপজের সময় শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে করণীয়:

১। স্বাভাবিক জীবনে বিভিন্ন অসুবিধা ও করণীয়:

মেনোপজ হলে শরীরে বিশেষ জাতীয় হরমোনের ক্ষরণ বন্ধ হয়ে যায় ৷ হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মেনোপজের বিভিন্ন শারীরিক উপসর্গ যেমন জয়েন্টে ব্যাথা, মেজাজ ঠিক না থাকা, ঘুমের ব্যাঘাত, শক্তির ক্ষয়, মানসিক অবসাদ ইত্যাদি দেখা দেয়। অবশ্য পাঁচ-দশ বছর পর নারীর শরীর আস্তে আস্তে এটিকে আপনা থেকেই মানিয়ে নেয়। তাই বেশী আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য‍্য ধারন করে পরিস্থিতি মোকাবেলা করা উচিত। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের মেডিসিন ও চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে। তাই যদি জটিল কোন সমস্যা দেয় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

২। মেনোপজের সময় মানসিক আশংকা দূর করতে করণীয়:

অনেকে মনে করেন পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়া মানেই যৌবন চলে যাওয়া। সেই কারণে অনেক মহিলাদের মধ্যে অবসাদ দেখা দেয় ৷ তবে এটা পুরোটাই তাদের কাল্পনিক ধারণা। এসময় গর্ভধারনের আশংকা নেই বলে স্বামীর সঙ্গে খোলামেলা সম্পর্ক স্থাপনে কোন সমস্যা হয় না এবং নির্দ্বিধায় যৌনতা উপভোগ করা সম্ভব। মেনোপজের সময় মন ভালো রাখার জন্য মেয়েদের নিজেদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে। নিজের প্রতি ভালোভাবে খেয়াল রাখার জন্য যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশী জরুরি তাহলো নিজের কর্মজগৎ ৷ এ সময় মানসিক অবসাদ থেকে রক্ষা পেতে তাঁকে অবস্যই বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে।

৩। মেনোপজ চলাকালীন ডায়েট চার্ট মেনে চলা:

অধিকাংশ সময় স্বামী বা পরিবারের সেবা করতে গিয়ে মেয়েরা নিজের খেয়াল রাখতে ভুলে যান। তাই তাদের খাওয়া দাওয়া ঠিকমতো হয়না। মেনোপজের সময় ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দেয়ায় তাদের বিশেষ যত্ন নেওয়া দরকার ৷ তাই, এই সময় তাদের ব্যালেন্স ডায়েট গ্রহণ করা উচিত। তাদের খাবার খুব কম বা খুব বেশী উচিত নয়। নিয়মিত কম চর্বি যুক্ত, বেশি প্রোটিন ও আশযুক্ত খাবার খেতে হবে। এসময় বেশি পরিমাণে ফলমুল, শাকসবজি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ খাবার এবং ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাদ্য খেতে হবে। পাশাপাশি শরীরের স্বাভাবিক ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখারও চেষ্টা করতে হবে। মেনোপজ শুরু হচ্ছে এমন মনে হলে চিকিৎসকের পরামর্শমতো খাওয়া দাওয়া করলে ও নিয়মমতো চললে তেমন কোন সমস্যাই হয় না ৷


প্রকৃতির সাধারণ নিয়মে যেমন একজন কিশোরী নির্দিষ্ট বয়সে পরিপূর্ণ নারীতে পরিণত হয়ে সন্তান ধারণের ক্ষমতা অর্জন করে, তেমনি একসময় মেনোপজের মাধ্যমে সন্তান ধারণ ক্ষমতার সমাপ্তি ঘটে। মেনোপজ কোন অসুখ নয় বরং এটি একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া। শারীরিক অসুস্থতা না হলেও যদি এর উপসর্গগুলো মারাত্মক আকার ধারণ করে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

Monday, August 20, 2018

মোহন হোমিও হল এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক


             মোহন হোমিও হল  এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক
                                                                    প্রতিষ্ঠাতা – লেকচারার, ডাঃ এম এইচ মোহন



মায়া হোমিও হল এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক প্রতিষ্ঠাতা – লেকচারার, ডাঃ এম এইচ মোহন

মায়া হোমিও হল  এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক
                                                                    প্রতিষ্ঠাতা – লেকচারার, ডাঃ এম এইচ মোহন


Tuesday, August 7, 2018

গ্রাম বাংলার অতি চীরচেনা তাল ফল এর ইতিহাস কী ?




 ডাঃ এম এইচ মোহন
ইংরেজী নামঃ Jackfruit
বৈজ্ঞানিক নামঃ Artocarpus Heterophyllus
গ্রাম বাংলার অতি চীরচেনা ফল তাল। আকাশ পানে মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে থাকা সারি সারি তালগাছ, গাছে-গাছে ধরা তালফল ও বাবুই পাখির ঝুলমত্ম মনোরম বাসা এবং পাখির কলতান কার না ভাল লাগে। তালের আদি নিবাস মধ্যে আফ্রিকা হলেও বাংলাদেশের সকল স্থানে ছোট বড় কম বেশী তাল গাছ চোখে পড়ে। তালফল ও তাল গাছের বহুবিধ ব্যবহার ও পুষ্টি গুনাগুন বিবেচনায় দেশীয় ফলের মাঝে তালের অবদান শীর্ষে। গুচ্ছ মূলী বৃহৎ অশাখ বৃক্ষ তাল, গাছের গোড়ার দিক মোটা, উপরের অংশ তুলনা মূলক চীকন, কান্ডের মাথায় বোটা ও পাতা গুচ্ছ ভাবে সাজানো থাকে ও বোটার দু-ধারে করাতের মতো দাঁত আছে। কোঁটা শক্ত ও পুরম্ন। গাছ উচ্চতায় ২০ থেকে ২৫ মিটার হয়ে থাকে এবং দীর্ঘ জীবি উদ্ভিদের মাঝে অন্যতম তাল। ১৪০ থেকে ১৫০ বছর বয়স পর্যমত্ম বেঁচে থাকে। তুলনা মূলক ভাবে রোগ বালাই কম। তাল পুরম্নষ ও স্ত্রী উভয় লিঙ্গ গাছ, একই গাছে দু-রকম ফুল ফুটেনা। পুরম্নষ গাছে ফুল হয়, ফল হয়না, ফুল জটা নামে পরিচিত। মঞ্জুরির রঙ হলুদ, লম্বা আকৃতির, বসমেত্ম গাছে ফুল ধরে। পুরম্নষ তাল গাছের রেনু বাতাসে ভেসে অনেক দূর পথ পাড়ি দিয়ে পরাগায়ন ঘটাতে সÿম। পুরম্নষ ও স্ত্রী ফুলের সঠিক পরাগায়নে সৃস্টি হয় তালের। তাল গাছের বৃদ্ধি ধীর গতি সম্পন্ন, বীজ রোপনের ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সে গাছে ফল ধরে। গাছ প্রতি ৪০০ থেকে ৫০০টি পর্যমত্ম ফল ধরে, তবে এর পরিমান কম বেশী হতে পারে। গাছে কাঁদিতে ফল ধরে, একটি গাছে অনেক গুলি কাঁদি ধরে, ফলের আকার গোলাকার চ্যাপ্টা, প্রতি ফলের গড় ওজন ১থেকে ৫ কেজি পর্যমত্ম হয়, ফলের রঙ প্রথমে হলদে সবুৃজ, পরিপক্ক ফলের রঙ হলুদ, খয়েরী কালো রঙের হয়। তাল ফলে এক থেকে দুটি বা তিনটি আটির ফল ধরতে দেখা যায়। ফল পাকে ভাদ্র মাসে, তবে কোন কোন গাছে বছরের অন্যসময় ফল ধরতে দেখা যায়। পাকা ফলের ঘ্রাণ তিব্র সু- গন্ধ যুক্ত, স্বাধে মিষ্টি থেকে পানসে মিষ্টি হয়। গাছে পাকা তাল আপনা আপনি ঝরে পড়ে।
এ যাবৎ পর্যমত্ম তালের কোন অনুমোদিত জাত নেই, সকল জাত স্থানীয়, তবে আকার আকৃতি স্বাধ-গন্ধ বিবেচনায় উত্তম, মাধ্যম ও নিমণমানের হয়।
আমাদের দেশের সকল জেলায় কম-বেশী তাল গাছ জন্মে তবে ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, রাজশাহী ও খুলনা অঞ্চলে ভালো তাল উৎপাদন হয়। প্রায় সব ধরনের মাটিতে তাল গাছ জন্মে।
সহজ রোপন পদ্ধতি, কষ্ট সহিষু, কম যত্নে উৎপাদন ও বৃদ্ধির ফলে গ্রামীন সড়ক, মহাসড়ক, বাঁধ বেড়িবাঁধ, রেল লাইন, পুকুর পাড়, খালের পাড়, নদীর পাড়, জমির আইল, পতিত জমি ও বসত বাড়ীর শেষ সীমানায় তাল গাছ রোপন উপযোগী স্থান। উলেস্নখ্য গভীর মূলী ও শাখা প্রশাখা নেই বলে জমির আইলে রোপনে খাদ্য পুষ্টির প্রতিযোগিতা ও ছায়া দিয়ে ফসলের ক্ষতি করে না।
তালের বহুবিধ ব্যবহার যেমন ঃ–
তালের পাতা দিয়ে হাত পাখা, মাদুর, টুপি, ঘরের ছাউনী, চাটাই, ছাতা, লাকরী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
গাছের ফাইবার বা আঁশ থেকে বিভিন্ন রকমের সৌখিন সামগ্রী তৈরি হয়, যথা- টুপি, ঝুড়ি, ব্রাশ পাপোষ, ছোট বাষ্কেট, ও মাছ ধরার চাইয়ে ব্যবহৃত হয়।
পুরম্নষ গাছের ফুল বা জটা হতে রস সংগ্রহ করে তা দিয়ে গুড়, পাটালি, ভিনেগার, পিঠা, বড়া, লুচি, সডিনগাছ তৈরি করা হয়। পাকা তালের রস দিয়ে পিঠা, বড়া, খির, পায়েস তৈরি করা হয়।
কচি ও কাঁচা তালের নরম শাঁস মুখরোচক পুষ্টিকর ও ছোট বড় সবার প্রিয়। গ্রীষ্মের তৃষণা নিবারনে কাজ করে।
তাল কাঠের বহবিধ ব্যবহার লÿ করা যায়। যেমনঃ গাছের গোড়ার অংশ দিয়ে ডিঙ্গি নৌকা তৈরি, এটি বহুল ব্যবহৃত। এছাড়া শক্ত ও মজবুত বলে ঘরের খুটি, আড়া, রম্নয়া, বাটাম, কৃষকের লাঙ্গলের ঈষ তৈরি করা হয়।
গাছ শক্ত মজবুত গভীর মূলী বলে ঝড় তুফান, টর্নেডো, বাতাস প্রতিরোধ ও মাটি ÿয় রোধে তালের গাছের ভহমিকা অতুলনীয়।
তালের ঔষধী গুণাগুণঃ– তাল ব্যালসিয়াম সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার, তালের রস শেস্নমানাশক, সূত্র বর্ধক, প্রদাহ ও কোষ্ঠ কাঠিন্য নিবারণ করে। রস থেকে তৈরি তাল মিসরি সর্দি কাশিতে মহোষধ হিসেবে কাজ করে। যকৃতের দোষ নিবারক ও পিত্তনাষক হিসেবেও কাজ করে।
তালে পুষ্টি উপাদান (প্রতি ১০০ গ্রাম)ঃ-
জলীয় অংশ = ৭৭.৫ ভাগ।
হজমযোগ্য আঁশ = ০.৫ ভাগ।
খনিজ পদার্থ = ০.৭ ভাগ।
খাদ্য শক্তি = ৮৭ ভাগ।
আমিষ = ০.২ ভাগ
শর্করা = ২০.৭ ভাগ।
ক্যালসিয়াম = ৯ ভাগ।


বর্তমান সমস্যা ও আগামীয় সম্ভাবনাঃ-
অজ্ঞতা ও দৈনন্দিন বিভিন্ন চাহিদার কারনে দিন দিন যেভাবে তাল গাছ নিধন করা হচ্ছে এতে প্রকৃতি পরিবেশ হারাচ্ছে তার রূপ সৌন্দর্য। নয়নাভিরাম সারি সারি তাল গাছ, গাছে গাছে তাল ফল ও তাল গাছে পাখির বাসা আজ তেমন দেখা যায়না। আমরা একবারভভেবে দেখছি কী?
প্রতিবছর বৃÿ রোপন মৌসুমে অন্যান্য বৃÿ চারার সহিত যদি তাল গাছের বীজ/চারা বেশী বেশী বারে সকলে রোপন করি এবং নির্বিচারে তাল গাছ নিধন না করি কবে আমাদের এ দেশে আবারও উপকারী ফল তাল ফিরে পাবে হারানো ঐতিহৃ। তারি সাথে সাথে নিশ্চিত হবে আগামীর খাদ্য অর্থ ও সমৃদ্ধি।