Wednesday, July 28, 2021

মানবতা আজ কোথায় ডাঃ এম এইচ মোহন

 

২৭/৭/২০২১

খোলা চিঠি,

ডাঃ এম এইচ মোহন

মানবতা আজ কোথায় ?

ভাই একটা অক্সিজেন নিয়ে আসেন না , যেখান থেকে পারেন আনেন না ভাই ………………




একটি রোগীর স্বজনদের আত্মচিৎকার নিজের চোখে না দেখলে  হয়তো বিশ্বাস হতো না,

এই তো ঈদের একসাপ্তহ আগে একদিন মালরা মজুমদার বাড়ির দলিল লেখক হেলাল মজুমদারের সাথে নিজমেহার,পালবাড়িতে যাই হেলালের কাজে, সেখানে গিয়ে পরিচয় হয় খোকন পাল নামে একজন ব্যাক্তির সাথে ,কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে শ্বাসকষ্টের জন্য। কথা বলতে পারছেন না।   বলে আমার বয়সের সবাই কাজ-কর্ম করে আমি এতো অসুস্থ্য কিছুই করতে পারিনা আমার ৪ চার মেয়ে ছেলে নাই । হেলাল আমার পরিচয় দিয়ে বলে খোকন ভাই এই হল ডাঃ এম এইচ মোহন, প্রভাষক চাঁদপুরহোমিও প্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপতাল, এটাশুনে উনি আমার সাথে কথা বলেতে খুব আগ্রহ করে পরে আমি ওনার সব কথা শুনে বলাম আপনার এখন অক্সিজেনের প্রয়োজন, একথা শুনে ওনার বড় মেয়ে স্মৃতি এসে বলে ভাই আপনি একটি অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে দেন আমার বাবার জন্য কিনবো। এর দুই দিন পর আমি স্মৃতিকে কল দিয়ে একটি অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে দেই, এর সাথে অক্সিমিটার এবং ব্যবহার বিধি দেখিয়ে দেই। অক্সিজেন পেয়ে যেন আকাশের চাঁদ পাওয়ার হাঁসি দিল । বাবা মেয়ে সবাই খুশি । অক্সিজেন দেওয়ার পর ভাল লাগতে শুরু করল । কয়েক  দিন পর হঠাৎ স্মৃতির ফোন ভাই বাবার অক্সিজেন সিলিন্ডার শেষের পথে এখন কি করবো, বাবাকে তো একমিনিটও অক্সিজেন ছাড়া রাখা যায় না । আমি বললাম আরেকটা অক্সিজেনের ব্যবস্থা করতে পারিকি না, দেখি এর পর না হয় এটা ভরে আনতে কুমিল্লায় পাঠাবো, আসতে একদিন সময় লাগতে পারে । এর পরে যোগাযোগ করতে করতে একটা  অক্সিজেন সিলিন্ডার পেলাম সজাগ ফাউন্ডেশনের কাছ থেকে । যাক একটু স্বস্তি পেলাম । কিন্তু রাত যখন ১টা বাজে স্মৃতির এটি মেসেজ পাই হুবাহুব তুলে ধরলাম

Kalke amader jemnei hok oxygen lagbe ajke je ami oxygen anci ota akhon 350 ase kmne je rhat jabe onnk tension asi babar sashkosto tao besi je khule aktu rhakteo parteci na ki korbo bujteci na.

তখন আমি কল করলাম এত তাড়াতড়ি অক্সিজেন শেষ হল কেমন করে ,স্মৃতি ভাই অক্সিজেন এতো তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেছে আমি কিছুই বুঝি না একটা কিছু করেন ভাই, আমার বাবাকে বাঁচান ,ভাই অক্সিজেন না হলে আমার বাবা বাঁচবে না । পরে শুনি আরেকটা সিলিন্ডার হাট পাড়ে একটি বাড়িতে আছে । তখন রাত ১টা ৩০মিনিট তখন হেলাল ভাইকে কল দিয়ে জানালে ভাই বলে আমি অক্সিজেন নিয়ে আসতেছি। হেলাল ভাইয়ের বাড়ি হতে হাট পাড় কাছাকছি। এর মধ্যে স্মৃতি কল করে বলে ভাই অক্সিজেন লেভেল নেমে যাচ্ছে সিলিন্ডারের অক্সিজেন শেষের পথে ,কিছু একটা করেন। এর ভিতর হেলাল ভাই ও দুলাল সিলিন্ডারটা নিয়ে অসল, কিন্তু দুঃখের বিষয় হল এই সিলিন্ডারেও অক্সিজেনের মাত্রা কম ছিল। এটা দেখে আমরা চিন্তায় পড়ে গেছি, এখন কি হবে! এই অক্সিজেন তো অল্প কিছুক্ষনের মধ্য শেষ হয়ে যাবে । কিছু না ভেবে তাড়াহুড়া করে প্রাইভেট মেডিকেল গুলোতে খোঁজ নিলাম, কিন্তু কেউ একটু সাড়াঁ দিলো না কেউ বলে সিলিন্ডার দেওয়া যাবেনা, কেউ বলে শেষ ,অনেক আকুতি মিনতি করে একটা সিলিন্ডারও পেলাম না, রোগীকে যে মেডিকেলে আনবো তাও সম্ভব না অবস্থা এত খারাপ । স্মৃতি ফোনে বলে ভাই একটা অক্সিজেন নিয়ে আসেন, যেখান থেকে পারেন আনেন না………আমার বাবা বাঁচবে না । তার কথা শুনে দু,চোঁখের জল ধরে রাখতে পারলাম না, মন চাই চিৎকার করে বলি এই পৃথিবীর মানুষ এতো  নিষ্ঠুর কেন । অক্সিজেন সিলিন্ডার মেডিকেলের ভিতরেই  পড়ে আছে , এইগুলো কার জন্য জানতে চাই ! কার কাছে বলবো তাও যানি না । এ হলো আমাদের সমাজ ব্যবস্থা । কালিবাড়ি থেকে  স্মৃতিদের বাড়িতে গিয়ে বলাম বোন কোথাও অক্সিজেন পেলাম না , বাঁচা-মরা আল্লার হাতে, ওনাকে সরকারি মেডিকেলে নিয়ে যাবো এর ভিতরে জানতে পারলাম  উনি না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন।ছোট শিশু মেয়টা কান্না জড়িত কন্ঠে বলে আমার বাবাকে কোথাও  নিয়ে যেতে দিবো না । আমি বলাম  ক্ষমা করে দিস বোন তোর বাবাকে বাঁচাতে পারলাম না । আজ সমাজের মানবতা বলে কিছু নেই । নিষ্ঠুর পৃথিবীর জালিম মানুষ। অক্সিজেন থাকর পরেও পেলাম না। না হয় খোকন নামের এই মানুষটি তার মেয়েদে মাঝে আরও কিছু দিন বেঁচে থাকতে পারতো ………………………………….

 

Sunday, July 25, 2021

করোনা মহামারির এই যুদ্ধে ডাঃ এম এইচ মোহন

 হোমিওপ্যাথ কনসালটেন্ট

ডাঃ এম এইচ মোহন
লেকচারার,চাঁদপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
চেম্বারঃ
মায়া হোমিও হল
মেহের কালিবাড়ী,
থানা রোড সংলগ্ন,
নূরপ্লাজা,
শাহরাস্তি,চাঁদপুর।


Tuesday, July 20, 2021

হোমিওপ্যাথ কনসালটেন্ট ডাঃ এম এইচ মোহন লেকচারার,চাঁদপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

 হোমিওপ্যাথ কনসালটেন্ট

ডাঃ এম এইচ মোহন
লেকচারার,চাঁদপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল


Thursday, July 15, 2021

জন্ডিস এর  হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

 


হোমিওপ্যাথ কনসালটেন্ট

ডাঃ এম এইচ মোহন

লেকচারার,চাঁদপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

=========================================

 


জন্ডিস নামটার সাথে আমরা সবাই পরিচিত। তবে এটা হয়ত জানিনা, জন্ডিস কোন রোগ নয়। এটি অন্য কোনো রোগের উপসর্গ মাত্র। এতে ত্বক,  স্ক্লেরা বা  চোখের সাদা অংশ অন্যন্য মিউকাস ঝিল্লি হলুদ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে প্রসাবের  রঙও হলুদ হয়ে যায়। শরীরে বিলিরুবিনের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া এর প্রধান কারণ।আর বিলিরুবিন বৃদ্ধির পেছনে আছে অন্য কারন। জন্ডিস রোগীর তাৎক্ষণিক সঠিক চিকিৎসা প্রয়োজন। সঠিক সময়ে এর চিকিৎসা শুরু না করলে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।  রক্তে বিলিরুবিন নামক হলুদ রঞ্জক পদার্থের স্বভাবিক মাত্রা < .-. মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার। আর শরীরে বিলিরুবিনের মাত্রা দ্বিগুণ হয়ে গেলে তা বাইরে থেকে বোঝা যায়। কিছুক্ষেত্রে প্রস্রাবের রং গাঢ় হলুদ হয়ে যেতে পারে। শরীরের চামড়া ফ্যাকাশে দেখায় বলে আগের দিনে একে পাণ্ডুরোগ বলা হত।

  জন্ডিস কী?

 শরীরের চামড়া, মিউকাস মেমেব্রেণ এবং চোখ হলুদ হয়ে যাওয়াকে সাধারণত জন্ডিস বলা হয়। পুরনো লোহিত রক্তকণিকা আমাদের শরীরে সবসময় বিলিরুবিন উৎপন্ন করে, যা প্রধানত পায়খানার মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। যদি কোন কারণে শরীর থেকে এই বিলিরুবিন বের হতে না পারে তাহলে অধিক বিলিরুবিন শরীরে জমে জন্য জন্ডিস হয়।  এছাড়া জন্ডিসের কারণে শরীরে আরও অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

জন্ডিসের কারণ:

লিভারের রোগ জন্ডিসের প্রধান কারণ। আমরা যা কিছুই খাই না কেন তা লিভারে প্রক্রিয়াজাত হয়। লিভার নানা কারণে রোগাক্রান্ত হতে পারে। হেপাটাইটিস , বি, সি, ডি এবং ভাইরাসগুলো লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি হয় যাকে বলা হয় ভাইরাল হেপাটাইটিস। আমাদের দেশসহ সারা বিশ্বেই জন্ডিসের প্রধান কারণ এই হেপাটাইটিস ভাইরাসগুলো। তবে উন্নত দেশগুলোতে অতিরিক্ত মধ্যপান জন্ডিসের একটি অন্যতম কারণ। ছাড়া অটোইমিউন লিভার ডিজিজ এবং বংশগত কারণসহ আরও কিছু অপেক্ষাকৃত বিরল ধরনের লিভার রোগেও জন্ডিস হতে পারে। ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায়ও অনেক সময় জন্ডিস হয়। তা ছাড়া থ্যালাসিমিয়া হিমোগ্লোবিন -ডিজিজের মত যে সমস্ত রোগে রক্ত ভেঙ্গে যায় কিংবা পিত্তনালীর পাথর বা টিউমার এবং লিভার বা অন্য কোথাও ক্যান্সার হলেও জন্ডিস হতে পারে। তাই জন্ডিস মানেই লিভারের রোগ এমনটি ভাবা ঠিক নয়। শিশুদের ক্ষেত্রে পিত্তনালী চিকন থাকা বা তৈরী না হওয়া (Biliary Atresia) জন্ম থেকেই বিলিরুবিনের তৈরী নি:সরণে সমস্যা থাকলে জন্ডিস হতে পারে।

 

 . লিভার প্রদাহ: লিভার প্রদাহে বিলিরুবিনের উৎপাদন বেড়ে যায়। ফলশ্রুতিতে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গিয়ে জন্ডিস সৃষ্টি হয়।

. পিত্তনালীর প্রদাহ:  পিত্তনালীর প্রদাহে বিলিরুবিন শোষণ ব্যাহত হয়। ফলে বিলিরুবিন বৃদ্ধি পেতে থাকে। . পিত্তনালীর ব্লকঃ  পিত্তনালীতে ব্লক হলে লিভার বিলিরুবিন সরাতে ব্যর্থ হয়। বেয়ে যায় জন্ডিসের সম্ভাবনা।

 . গিলবার্ট সিন্ড্রোম:  এই অবস্থায় এনজাইমের কার্যক্ষমতা কমে যায়। এর ফলে পিত্তের রেচনতন্ত্রে সমস্যা হয় এবং বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায়।

. ডুবিন-জনসন সিন্ড্রোম:  এই বংশগত রোগে লিভার থেকে বিলিরুবিন শোষণ হতে বাঁধা দেয়। ফলশ্রুতিতে জন্ডিস হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

  কখন ডাক্তার শরণাপন্ন হওয়া উচিত?

 শিশু বা বড়দের শরীরের ত্বক, চোখ ইত্যাদি হলুদ হয়ে গেলে সাথে সাথে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

জন্ডিস হলে  যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হয়ঃ

রক্ত পরীক্ষা।যকৃতের কার্যকারিতা এবং কোলেস্টরল পরীক্ষা।প্রোথোম্বিন টাইম।পেটের আল্ট্রাসাউন্ড।প্রস্রাব পরীক্ষা।যকৃতের বায়োপসি।

জন্ডিসের প্রতিরোধ ব্যবস্থাঃ  জন্ডিস যেহেতু কোনো রোগ নয়, তাই এর তেমন কোনো ওষুধও নেই। স্বাভাবিকভাবেও থেকে ২৮ দিনের মধ্যে শরীরের রক্তে বিলিরুবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে গেলে জন্ডিস এমনিতেই সেরে যায়। সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা, জীবাণুমুক্ত খাবার পানীয় গ্রহণের মাধ্যমে জন্ডিসের আক্রমণ থেকে বাঁচা সম্ভব। রাস্তাঘাটে খোলা পানি,  নোংরা ফলের জুস, শরবত ইত্যাদি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। জন্ডিস হলে রোগীকে পুরোপুরিভাবে বিশ্রামে থাকতে হবে।   এছাড়া রোগীকে প্রচুর পরিমানে শর্করাজাতীয় এবং ভিটামিন-সি যুক্ত খাবার খেতে হবে। গ্লুকোজ, আখের রস, আনারস ইত্যাদি জন্ডিস রোগীর জন্য অনেক উপকারী খাবার। এছাড়া জন্ডিসের কারণ যকৃতের কার্যকারিতার সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত।  তাই যকৃতের কার্যকারিতা যেন ভালো থাকে সেদিকে লক্ষ্য সর্বদা লক্ষ্য রাখতে হবে।

জন্ডিস প্রতিরোধে সে সম্পর্ক জেনে নেওয়া দরকার।

. হেপাটাইটিস- খাদ্য পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। আর বি, সি এবং ডি দূষিত রক্ত, সিরিঞ্জ এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ায়। তাই সব সময় বিশুদ্ধ খাদ্য পানি খেতে হবে। শরীরে রক্ত নেয়ার দরকার হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং করে নিতে হবে। ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ব্যবহার করাটাও খুবই জরুরী।

. মদ্য পান থেকে বিরত থাকুন।

. কল কারখানার রাসায়নিক পদার্থ থেকে দূরে থাকুন।

 . নেশাদ্রব্য গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন।

. ব্যবহারকৃত ইনজেকশন কিংবা নাক-কান ফোঁড়ানোর সুই ব্যবহার করবেন না। যারা সেলুনে সেভ করেন, তাঁদের খেয়াল রাখতে হবে যেন আগে ব্যবহার করা ব্লেড বা ক্ষুর আবারো ব্যবহার করা না হয়।

 . নিরাপদ যৌনমিলন করুন।

. হেপাটাইটিস এবং বি হওয়ার আশংকা মুক্ত থাকতে হেপাটাইটিস এবং বি এর ভ্যাকসিন গ্রহণ করুন। .অতিরিক্ত চর্বি যুক্ত খাবার বাদ দিয়ে সুষম খাবার খেতে হবে।  মানুষের মাঝে জন্ডিস বিষয়ে অনেক ভ্রান্ত ধারনা রয়েছে। তাই অযথা ভ্রান্ত চিকিৎসার স্বরনাপণ্য না হয়ে হোমিও চিকিৎসা নিন।

চিকিৎসাঃ

Homeopathic Medicines for Jaundice

Top grade Homeopathic medicines for jaundice include Chelidonium, Phosphorus, Myrica, and Chionanthus. Chelidonium is an effective Homeopathic medicine for jaundice with constant pain under the inferior angle of the right scapula. Phosphorus works well for jaundice, fatty degenerations and acute hepatitis. A very weak, empty, gone sensation in the entire abdominal cavity is also attended well with Phosphorus. In case of complete jaundice, with bronze-yellow skin and loss of appetite, Myrica is one of the best Homeopathic medicines for jaundice to prescribe. Chionanthus has also shown remarkable results in jaundice and other hepatic derangements. The person complains of gripping pain in the umbilical region, along with clay coloured stool and dark urine in such cases.

 

Lupulus – Effective among Homeopathic medicines for jaundice in newborns or neonatal jaundice

Lupulus is one of the most effective Homeopathic medicines for jaundice in newborns, also known as neonatal jaundice. Lupulus is also a tested Homeopathic medicine for infantile jaundice. The symptoms to look out for are yellow pigmentation of the skin and a slow pulse.

 

Chelone and Chelidonium – Top Homeopathic medicines for jaundice with pain in  liver

The most prescribed Homeopathic medicines for jaundice where it is accompanied by pain in the liver are Chelone and Chelidonium. Homeopathic medicine Chelidonium is recommended where the symptoms include yellow pigmented skin, especially for constant pain under the inferior angle of the right scapula. The white of the eye (sclera) appears dirty yellow. Other symptoms include a yellow tongue, imprints of teeth and a bitter taste in the mouth. Chelone is one of the most effective Homeopathic medicines for jaundice with pain and soreness in the liver. The pain extending downwards from the left lobe of the liver is also treated well with Homeopathic medicine Chelone.

 

Leptandra and Nux Vomica – Best Homeopathic medicines for jaundice with diarrhoea

Natural and safe, Leptandra and Nux Vomica are two well recognised Homeopathic medicines for jaundice with diarrhoea. Leptandra is prescribed in jaundice cases with profuse clay coloured, fetid stool. The person experiences severe pain at the umbilicus. Symptoms that merit prescription of Nux Vomica as the best suited among Homeopathic medicines for jaundice with diarrhoea are pale or yellowish coloured skin, a yellow tongue, incomplete and unsatisfactory stools.

 

Phosphorus and China – Top rated Homeopathic medicines for jaundice with great weakness

Top rated Homeopathic medicines for jaundice with great weakness are Phosphorus and China. China is one of the most prescribed among Homeopathic medicines for jaundice with great weakness and exhaustion. Liver weakness due to alcohol or poor diet is also treated well with China. Phosphorus works best for jaundice with great weakness and a pale, sickly complexion. The person feels especially weak after passing stool.

হোমিওপ্যাথ কনসালটেন্ট

ডাঃ এম এইচ মোহন

লেকচারার,চাঁদপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

মোবাইলঃ  01720-382646