Friday, March 29, 2019

Love is in dream









Love is in dream
Why you come in a dream. Why give me your love. Why did you tell me about your pain today? Are you in trouble. You are so happy. Why would you want to come to me? Come to the dream, so do not really.
         DR. M H MOHA


স্ত্রীলোকের কামোন্মাদ (NYMPHOMANIA)




স্ত্রীলোকের কামোন্মাদ (NYMPHOMANIA)         
ডাঃ এম এইচ মোহন ………      
নিমফোম্যানিয়া পরিলক্ষিত  হচ্ছে মেয়েদের মধ্যে এক ধরনের অপ্রতিরোধ্য যৌনকাংখা যা সহজে তৃপ্ত হবার নয় । যৌন মিলনের জন্য অধিক আগ্রহ প্রকাশ করে । এটি বিশেষভাবে ঐ সব মেয়েদের মধ্যেই বেশী দেখা যায়, যাদের সহজেই ঘাবড়িয়ে যাবার স্বভাব এবং যারা খুব স্বচ্ছ কল্পনাবিলাসী । তাদের এই আকাংখা জাগে অশ্লীল ভাষা কিংবা হস্তমৈথুনের দ্বারা ।
প্রথম পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট স্ত্রীলোক তার নম্র স্বভাব ও প্রচন্ড ইচ্ছার মধ্যকার একটা সংঘাতের শিকার হয় । পরবর্তী পর্যায়ে সে তার দ্বিতীয় অবস্থার কাছেই নিজেকে সর্মপণ করে এবং তার যৌনাকাংখাকে দমন করার কোন রকম চেষ্টাই সে করে না । সর্বশেষ অবস্থায় সে তার নোংরামির বিরক্তিকর সীমায় উপনীত হয় এবং তার মানসিক বিচ্ছিন্নতাবোধ সম্পূর্ণ হয় ।
সৌভাগ্যক্রমে, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহন করলে কোন মেয়েকেই  এই সর্বশেষ অবস্থায় পৌঁছতে হয় না ।
ডাঃ এম এইচ মোহন
প্রতিষ্ঠাতার সহ-সদস্য ও লেকচারার, চাঁদপুর হোমিপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ।
জরুরী প্রয়োজনেঃ- ০১৭২০-৩৮২৬৪৬

Thursday, March 21, 2019

গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত বমি

অতিরিক্ত বমি করতে। এটা মাঝে মাঝে এতো অত্যাধিক হয় যে তা মায়ের স্বাস্থ্যের চরম অবনতি ঘটায় এমন কি স্বাভাবিক জীবন যাপন ও এসময় দুর্বিসহ হয়ে উঠে। সাধারণত প্রথম সন্তানের ক্ষেত্রেই এমন সমস্যা বেশী হয়ে থাকে। এই অবস্থা প্রথম তিন মাসের পর নিয়ন্ত্রনে চলে আসে। কোনো কোনো মায়ের ক্ষেত্রে এটা বংশগত ভাবেও এসে থাকে। গর্ভে একের অধিক সন্তান, হাইডাটিফর্ম মোল এবং অবৈধ সন্তান ধারণকারী মায়ের ক্ষেত্রে এর প্রবণতা অনেক অনেক বেশী।
হাইপারেমেসিস গ্রাভিডেরাম স্বল্পমাত্রার বা তীব্র মাত্রার হতে পারে। স্বল্প মাত্রার রোগীদের বমি যে কোনো সময়ই হতে পারে, খাবার সাথে বমির কোনো সম্পর্ক নেই। তবে বমির সাথে খাবার বের হয়ে আসা একটা স্বাভাবিক ঘটনা। এ ধরণের রোগীর স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হয় তবে এই অবস্থায় ও তারা খাবার দাবার চালিয়ে যেতে পারে। বাহ্যিক ভাবে গর্ভবতী মাকে অসুস্থ্য বা রুগ্ন মনে হয়না।
তীব্র মাত্রার রোগীদের সারাক্ষনই বমি অথবা বমি ভাব হয়। বমি না হলেও অনেক সময় এরা টক ঢেকুর বা বুকজ্বালা করা ইত্যাদি সমস্যার কথা বলে থাকে। এদের বমির তীব্রতা অনেক বেশী এবং বমির সাথে মাঝে মাঝে রক্তও চলে আসতে পারে। সাধারণত বমির রঙ হয় কফির রঙের, সেই সাথে পেটের উপড়ের অংশে ব্যথা, প্রসাব কমে যাওয়া বা না হওয়া, বিছানা থেকে নড়তে না পারা, সেই সাথে চোখে ঝাপসা দেখা, কোনো জিনিস দুটো দেখা, ক্লান্তি, চরম অবসাদ, বিভ্রান্তি সহ নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
অনেক সময় রোগীরা খুবই উদ্বিগ্ন থাকে, পানি শুন্যতায় ভোগে, তাদের নাড়ির গতি বেড়ে যায়, রক্তচাপ কমে যায়, জন্ডিস দেখা দেয় এমনকি মাঝে মাঝে অনেক কে এনকেফালোপ্যাথিতেও ভুগতে দেখা যায়।


Sunday, March 17, 2019

এই গরমে প্রতিদিন টক দই খান

এই গরমে প্রতিদিন টক দই খান

গরম খাবারের তালিকায় অবশ্যই যেন থাকে টক দই ৷ টক দইয়ের অনেক গুণ ৷ সুস্থ থাকতে প্রতিদিনই খাওয়া উচিৎ টক দই ৷ সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, টক দই রক্তের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল এলডিএল বা ভিএলডিএল কমাতে সাহায্য করে। এতে যারা ডায়াবেটিস, হার্টের অসুখ বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, টক দই তাদের জন্য সাহায্যকারী বন্ধুর মতো কাজ করবে। তাদের নিয়মিতভাবে অবশ্যই দৈনিক এক কাপ টক দই খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত।
টক দই ঘরে পাতা হলেই সবচেয়ে ভালো। গ্রীষ্মকালে দেহের জন্য অন্যতম আদর্শ খাদ্য টক দই। এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর। এতে ভিটামিন ‘সি’ বাদে সব ধরনের ভিটামিন, মিনারেলস, উচ্চ মানের প্রোটিন, ফ্যাট এবং ল্যাকটোজ নামক কার্বোহাইড্রেট থাকে। অনেকের দুধ খেলে সহজে হজম হয় না, তাদের জন্য টক দই উপযুক্ত। জেনে নিন টক দইয়ের ১০ টি গুণ ৷
১. এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়| ঠান্ডা লাগা , সর্দি ও জ্বর না হওয়ার জন্য এটি ভালো কাজ করে
গরমে রোজ খান টক দই !
২. টক দইয়ের উপকারী ব্যাকটেরিয়া ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে এবং শরীরের উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে বাড়িয়ে হজম শক্তি বাড়ায় বা ঠিক রাখে
৩. এতে ল্যাকটিক অ্যাসিড থাকার কারণে এটি কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া ও কোলন ক্যানসারের রোগীদের জন্য উপকারী ৷
৪. দইয়ের ব্যাকটেরিয়া হজমে সহায়ক ৷ তাই এটি পাকস্থলী জ্বালাপোড়া কমাতে বা হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে ৷
৫. এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম,ভিটামিন বি৬ , বি ফাইভ ও ভিটামিন বি ১২ থাকার কারণে এটি খুব দরকারী একটি খাবার ৷
৬. এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি থাকার কারণে হাড় ও দাঁতের গঠনে ও মজবুত করতে সাহায্য করে
৭. তাই বাতের রোগীরা নিয়মিত টক দই খেলে উপকার পান
৮. কম ফ্যাট যুক্ত টক দই রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এলডিএল কমায় ৷ যাদের দুধ সহ্য হয় না ৷ তারা টক দই দুধের বিকল্প হিসাবে খেতে পারেন ৷
৯. এর আমিষ দুধের চেয়ে সহজে হজম হয়, এটি দুধের চেয়ে অনেক কম সময়ে হজম হয়| তাই যাদের দুধের হজমে সমস্যা তারা দুধের পরিবর্তে এটি খেতে পারেন ৷
১০. টক দই রক্ত শোধন করে ৷