Sunday, December 30, 2018
Friday, December 28, 2018
Friday, December 14, 2018
শীতকলীন শাক সবজি ও ফলমূল এর পুষ্টিগুন
শীতকলীন শাক সবজি ও ফলমূল এর পুষ্টিগুন
ডাঃ এম এইচ মোহন
বছরের প্রায় সব সময়ই কম বেশি শাক সবজি, ফলফলাদি জন্মে। কিন্তু শীতকাল মানেই বাজার ভর্তি শাকসবজি, ফলমূল। আর শীতকালের শাকসবজি ও ফলের স্বাদ ও পুষ্টি থাকে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি।
শীতকালীন শাক-সবজি
শীতের সময়টায় বাজারে বেশি দেখা যায় ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি, লালশাক, পালংশাক, মূলা, শালগম, সিম, টমেটো, পেঁয়াজ পাতা, মটরশুঁটি ও গাজর।
নিউট্রিশিয়ানদের মতে, শীতকালীন সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, বিটা-ক্যারোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ফলিক অ্যসিড, অ্যন্টিঅক্সিডেন্ট, আঁশ ও ভিটামিন। অস্থিক্ষয় রোধে ও শরীরের রক্তকণিকা বা পাটিলেট গঠনে শীতকালীন শাকসবজির ভূমিকা অপরিসীম। ভিটামি ‘সি’, ভিটামিন ‘এ’ ও ভিটামিন ‘ই’ এর ঘাটতি পূরণে খেতে হবে বেশি বেশি শীতকালীন শাকসবজি। শীতকালীন শাকসবজিতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ‘ই’ যা মুটিয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে বের করে আনে।
পুষ্টিগুণে লালশাক ও পালং শাক অন্যান্য শাকগুলো থেকে একটু এগিয়ে। প্রতি একশ গ্রাম লাল শাকে রয়েছে তিনশ আশি গ্রাম ক্যালসিয়াম! অন্যান্য পুষ্টিগুনও লাল শাকে অন্য শাকের তুলনায় বেশি। আর পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি ও ফলিক অ্যাসিড, যা আমাদের দেহের জন্য জরুরি।
শীতকালীন সবজি মটরশুঁটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি, প্রতি একশ গ্রামে পাওয়া যায় প্রায় সত্তর ক্যালরি! আর ফুলকপিতে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘সি’, ক্যালসিয়াম, ফলিক অ্যাসিড, ও পানি। ফুলকপিতে এমন কিছু উপাদান আছে যা কিডনির পাথর গলাতে ও ক্যানসার নিরাময়ে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারে।
রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে উন্নত দেশের মানুষজন টমেটো ও টমেটোজাত খাদ্য, পালং শাক, মিষ্টি আলু ইত্যাদি খাবার প্রচুর পরিমাণে খেয়ে থাকেন।
গাজর স্বাস্থ্যের জন্য অনেক জরুরী। চোখ ও দাঁতের সুরক্ষায়, লিভার সুস্থ রাখতে ও ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে খেতে পারেন শীতকালীন সবজি গাজর। এতে রয়েছে থায়ামিন, নিয়াসিন, ভিটামিন ‘বি৬’, ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘কে’, ফাইবার, ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। বেশি বেশি গাজর খেলে পেট ভরবে কিন্তু বেশি ক্যালরি যোগ হবে না শরীরে তাই ওজন কমাতে ও হেলদি ত্বক পেতে বেশি বেশি গাজর খান।
শীতকালীন ফলফলাদি
এই মৌসুমে বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন জাতের ও বিভিন্ন দামের কুল বা বরই, কমলালেবু, জলপাই, আমলকী, আপেল, সফেদা ও ডালিম।
শীতের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হচ্ছে নানান জাতের কুল বা বরই। বরই হরেক রকম হয়ে থাকে যেমনঃ নারকেল বরই, আপেল বরই, বাউ কুল। শীতকালীন এই ফলটি বেশ উপকারী ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন।
কমলায় রয়েছে ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘বি কমপ্লেক্স’, ফাইবার ও মিনারেল যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য জরুরী। কমলালেবুকে ক্যান্সার প্রতিরোধক বলা হয়ে থাকে।
শীতকালীন ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ ফল হচ্ছে জলপাই। উচ্চরক্তচাপ, কোষ্ঠকাঠিন্য ও কোলনের পাকস্থলির ক্যানসার দূর করতে জলপাই এর ভূমিকা অপরিসীম। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই ফলে আরো রয়েছে ভিটামিন ‘এ’ এবং ভিটামিন ‘ই’।
ভিটামিন ‘সি’ এর রাজা হিসেবে খ্যাত শীতকালীন ফল আমলকী। ত্বক সুরক্ষা, মাঢ়ি মজবুত করতে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে পালন করে আমলকী।
সারাবছর পাওয়া গেলেও শীতকালে বেশি পাওয়া যায় প্রচুর আঁশযুক্ত ফল আপেল। এতে আছে ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘বি১’, ভিটামিন ‘বি১২’, ভিটামিন ‘বি৬’ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আপেল কোষ্ঠকাঠিন্য ও বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে থাকে।
শীতকালীন আর একটি ফল হল সফেদা। আমাদের দেশে এই ফলটি একসময় তেমন একটা পরিচিত ছিল না কিন্তু এখন এই ফলটি প্রিয় ফলের তালিকায় চলে আসছে এর পুষ্টিগুনের কারণে। ক্যান্সার প্রতিরোধক, কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণ, কিডনি সুরক্ষায় ও হেলদি ত্বকের জন্য, কোলেস্টেরল ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। সফেদায় রয়েছে- ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘বি কমপ্লেক্স’, পটাশিয়াম, কপার, আয়রন, ফাইবার।
শীতকালীন অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রসালো ফলের মাঝে অন্যতম হচ্ছে বেদানা বা আনার, অনেকে ডালিমও বলে থাকে। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘সি’। বেদানার রস কুষ্ঠরোগ, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও হার্ট ভাল রাখতে বেশ উপকারী।
শীতের সময়টায় সুস্থ্য ও সুন্দর থাকতে বেশি বেশি শীতকালীন ফল ও সবজি খান।
হোমিওপ্যাথিক কনসালটেন্ট
ডাঃ এম এইচ মোহন
মায়া হোমিও হল
মেহের কালী বাড়ি ,শাহরাস্তি, চাঁদপুর।
ডাঃ এম এইচ মোহন
বছরের প্রায় সব সময়ই কম বেশি শাক সবজি, ফলফলাদি জন্মে। কিন্তু শীতকাল মানেই বাজার ভর্তি শাকসবজি, ফলমূল। আর শীতকালের শাকসবজি ও ফলের স্বাদ ও পুষ্টি থাকে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি।
শীতকালীন শাক-সবজি
শীতের সময়টায় বাজারে বেশি দেখা যায় ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি, লালশাক, পালংশাক, মূলা, শালগম, সিম, টমেটো, পেঁয়াজ পাতা, মটরশুঁটি ও গাজর।
নিউট্রিশিয়ানদের মতে, শীতকালীন সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, বিটা-ক্যারোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ফলিক অ্যসিড, অ্যন্টিঅক্সিডেন্ট, আঁশ ও ভিটামিন। অস্থিক্ষয় রোধে ও শরীরের রক্তকণিকা বা পাটিলেট গঠনে শীতকালীন শাকসবজির ভূমিকা অপরিসীম। ভিটামি ‘সি’, ভিটামিন ‘এ’ ও ভিটামিন ‘ই’ এর ঘাটতি পূরণে খেতে হবে বেশি বেশি শীতকালীন শাকসবজি। শীতকালীন শাকসবজিতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ‘ই’ যা মুটিয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে বের করে আনে।
পুষ্টিগুণে লালশাক ও পালং শাক অন্যান্য শাকগুলো থেকে একটু এগিয়ে। প্রতি একশ গ্রাম লাল শাকে রয়েছে তিনশ আশি গ্রাম ক্যালসিয়াম! অন্যান্য পুষ্টিগুনও লাল শাকে অন্য শাকের তুলনায় বেশি। আর পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি ও ফলিক অ্যাসিড, যা আমাদের দেহের জন্য জরুরি।
শীতকালীন সবজি মটরশুঁটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি, প্রতি একশ গ্রামে পাওয়া যায় প্রায় সত্তর ক্যালরি! আর ফুলকপিতে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘সি’, ক্যালসিয়াম, ফলিক অ্যাসিড, ও পানি। ফুলকপিতে এমন কিছু উপাদান আছে যা কিডনির পাথর গলাতে ও ক্যানসার নিরাময়ে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারে।
রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে উন্নত দেশের মানুষজন টমেটো ও টমেটোজাত খাদ্য, পালং শাক, মিষ্টি আলু ইত্যাদি খাবার প্রচুর পরিমাণে খেয়ে থাকেন।
গাজর স্বাস্থ্যের জন্য অনেক জরুরী। চোখ ও দাঁতের সুরক্ষায়, লিভার সুস্থ রাখতে ও ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে খেতে পারেন শীতকালীন সবজি গাজর। এতে রয়েছে থায়ামিন, নিয়াসিন, ভিটামিন ‘বি৬’, ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘কে’, ফাইবার, ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। বেশি বেশি গাজর খেলে পেট ভরবে কিন্তু বেশি ক্যালরি যোগ হবে না শরীরে তাই ওজন কমাতে ও হেলদি ত্বক পেতে বেশি বেশি গাজর খান।
শীতকালীন ফলফলাদি
এই মৌসুমে বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন জাতের ও বিভিন্ন দামের কুল বা বরই, কমলালেবু, জলপাই, আমলকী, আপেল, সফেদা ও ডালিম।
শীতের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হচ্ছে নানান জাতের কুল বা বরই। বরই হরেক রকম হয়ে থাকে যেমনঃ নারকেল বরই, আপেল বরই, বাউ কুল। শীতকালীন এই ফলটি বেশ উপকারী ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন।
কমলায় রয়েছে ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘বি কমপ্লেক্স’, ফাইবার ও মিনারেল যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য জরুরী। কমলালেবুকে ক্যান্সার প্রতিরোধক বলা হয়ে থাকে।
শীতকালীন ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ ফল হচ্ছে জলপাই। উচ্চরক্তচাপ, কোষ্ঠকাঠিন্য ও কোলনের পাকস্থলির ক্যানসার দূর করতে জলপাই এর ভূমিকা অপরিসীম। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই ফলে আরো রয়েছে ভিটামিন ‘এ’ এবং ভিটামিন ‘ই’।
ভিটামিন ‘সি’ এর রাজা হিসেবে খ্যাত শীতকালীন ফল আমলকী। ত্বক সুরক্ষা, মাঢ়ি মজবুত করতে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে পালন করে আমলকী।
সারাবছর পাওয়া গেলেও শীতকালে বেশি পাওয়া যায় প্রচুর আঁশযুক্ত ফল আপেল। এতে আছে ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘বি১’, ভিটামিন ‘বি১২’, ভিটামিন ‘বি৬’ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আপেল কোষ্ঠকাঠিন্য ও বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে থাকে।
শীতকালীন আর একটি ফল হল সফেদা। আমাদের দেশে এই ফলটি একসময় তেমন একটা পরিচিত ছিল না কিন্তু এখন এই ফলটি প্রিয় ফলের তালিকায় চলে আসছে এর পুষ্টিগুনের কারণে। ক্যান্সার প্রতিরোধক, কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণ, কিডনি সুরক্ষায় ও হেলদি ত্বকের জন্য, কোলেস্টেরল ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। সফেদায় রয়েছে- ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘বি কমপ্লেক্স’, পটাশিয়াম, কপার, আয়রন, ফাইবার।
শীতকালীন অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রসালো ফলের মাঝে অন্যতম হচ্ছে বেদানা বা আনার, অনেকে ডালিমও বলে থাকে। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘সি’। বেদানার রস কুষ্ঠরোগ, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও হার্ট ভাল রাখতে বেশ উপকারী।
শীতের সময়টায় সুস্থ্য ও সুন্দর থাকতে বেশি বেশি শীতকালীন ফল ও সবজি খান।
হোমিওপ্যাথিক কনসালটেন্ট
ডাঃ এম এইচ মোহন
মায়া হোমিও হল
মেহের কালী বাড়ি ,শাহরাস্তি, চাঁদপুর।
Wednesday, December 12, 2018
Wednesday, December 5, 2018
বিষন্নতা কী? আপনি কী বিষন্নতায় ভুগছেন ?
বিষন্নতা
কী? আপনি কী বিষন্নতায় ভুগছেন ?
লেকচারার,ডাঃ
এম এইচ মোহন
বিষন্নতা
কি?
বিষন্নতা
একটি আত্মঘাতি
মানসিক রোগ
।
বিষন্নতাকে
আমরা সাধারন
ভাবে “মনমরা
ভাব” বলতে
পারি। কোন
কোন মনবিজ্ঞানী
বলেছেন দুঃখ
ও অসুস্থতাবোধ
এর সমষ্টিকে
বিষন্নতা বলে
(Depression is the combination of misery and malaise)। আবার
কেউ কেউ
রুগ্ন দুঃখকে
বিষন্নতা বলেছেন
(Depression is defined as morbid sadness) । আমাদের
জীবনে অনেক
কষ্ট আসে,দুঃখ
আসে, পরীক্ষায়
রেজাল্ট খারাপ
হতে পারে
, আরো অনেক
কারনে আমাদের
“মনমরাভাব” থাকতে
পারে , মনখারাপ
হতে পারে
। তাহলে আমরা
কখন বুঝবো
যে এই
মনখারাপ বা
মনমরাভাব অসুস্থতায়
রূপ নেয়
বা রূপ
নেবে?
আসুন
দেখি মনোবিজ্ঞান
কি বলেঃ
1. যদি
কোন কারন
ছাড়াই দুঃখবোধ/মনখারাপ/কিছু
ভালো না
লাগা/বিষাদ/
মনমরাভাব দেখা
দেয়।
2. যদি
সামান্য কারনেই
এই দুঃখবোধ
গভীর ও
দীর্ঘস্থায়ী হয়।
3. যথেষ্ট
সঙ্গত কারণে
সৃষ্টি মনখারাপ/বিষাদময়তা
যখন দীর্ঘস্থায়ী
ও গভীরতর
হয়।
এই
অবস্থাকে(অসুস্থতাকে)
তখন আধুনিক
চিকিৎসা বিজ্ঞানে
ডিপ্রেসিভ ইলনেস
(Depressive illness) বলে।
মজার ব্যাপার
হলো পুরুষের
তুলনায় মহিলারা
দ্বিগুন বিষন্নতায়
আক্রান্ত হয়।
আর বিবাহিত
মহিলাদের বেলায়
আরো বেশী।
তালাকপ্রাপ্তা কিংবা
স্বামী থেকে
বিচ্ছিন্নভাবে বসবাসরত
মহিলাদের বেলায়
আরো অনেক
বেশী।
লক্ষনঃ
1. সব
সময় বিষন্ন
থাকা,
2. মন
ভাল লাগেনা,
3. নিঃসঙ্গতা,
4. আগ্রহের
অভাব,
5. কৌতুহলের
অভাব,
6. মনোযোগের
অভাব (এর
ফলে স্মরণশক্তি
হ্রাস),
7. ক্রন্দন
প্রবণতা (Crying spell),
8. কর্মক্ষমতা
হ্রাস,
9. অপরাধবোধ,
10. বর্তমান
সম্বন্ধে অসহায়
বোধ,
11. ভবিষ্যত
সম্বন্ধে অনীহা,অনিশ্চিত
বা অন্ধকার
12. নিজেকে
সব কিছুর
জন্য অযোগ্য
মনে করা,
13. আত্বহত্যার
প্রবনতা ও
চেষ্টা,
14. নিদ্রাহিনতা
(সাধারনত শেষ
রাত্রের অনিদ্রা),
15. ওজন
হ্রাস,
16. মহিলাদের
মাসিক ঋতুর
অনিয়ম বা
বন্ধ থাকা,
17. মাথা
থেকে পা
পর্যন্ত শরীরের
নানান অঙ্গে
বিভিন্ন উপসর্গ
অনুভব করা।
ইত্যাদি।
মনে
রাখতে হবেঃ
যখন নানাবিধ
শারীরিক উপসর্গের
কোন দৈহিক
ভিত্তি বা
কারন খুজে
পাওয়া যাবে
না অথচ
রোগী বা
রোগিনী নিজেকে
শারীরিকভাবে অসুস্থ
মনে করে
এবং এর
জন্য চিকিৎসার
প্রার্থী হয়।
যখন এইভাবে
দিনের পর
দিন রোগী
চিকিৎসক ও
চিকিৎসা কেন্দ্রের
দ্বারে দ্বারে
ঘুরে কিন্তু
রোগ ভালো
হয়না উপসর্গের
স্থায়ী নিরাময়
হয়ে উঠে
না , তখনই
চিন্তা করতে
হবে যে,
রোগী বা
রোগিনী বিষন্নতায়
আক্রান্ত হয়েছে।
কারনঃ
1. বংশগত
2. জৈব-রাসায়নিক(মস্তিষ্কে
“নর এডরিনালিন”
ও “ফাইবহাইড্রক্সিট্রিপ্টামিন”
এর স্বল্পতা,বিভিন্ন
“হরমোনের”বিশৃঙখ্লা
এবং কোষের
অভ্যন্তরে সোডিয়ামের
আধিক্য,ক্যালসিয়াম
ও ম্যাগনেসিয়ামের
গোলযোগ, ইত্যাদি।)
3. কতগুলো
ওষুধের পার্শ্ব
প্রতিক্রিয়া (উচ্চ
রক্তচাপের ওষুধ,
জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ি
ইত্যাদি)
4. দৈহিক
অবস্থা ও
ব্যাধি (মস্তিষ্কে
টিউমার, সন্তান
প্রসবের পর,ইত্যাদি)
মনস্তাত্ত্বিক_কারনঃ
1. বাল্যকাল
থেকে যার
ব্যাক্তিত্ত্ব দূর্বল,
2. বাল্যকালে
মা-এর
বিবাহ বিচ্ছেদ
বা বাবা
থেকে মা
পৃথকভাবে বসবাস
করে,
3. অযত্ন
বা অত্যাধিক
সুরক্ষতিত শৈশব
অবস্থা,
সামাজিক
কারনঃ
1. যারা
১১ বছর
বয়সে মা
হারিয়েছেন,
2. যারা
স্বামীর সমর্থন
পাননি,
3. যারা
কোন কাজকর্ম
করে না,
4. আপনাদের
একটা মজার
তথ্য জানাই
, প্লিস কেঊ
রাগ করবেন
না । যে
সমস্ত মহিলাদের
স্বামী বিদেশে
বিশেষ করে
মধ্যপ্রাচ্যে চাকরি
করে এবং
ঐ মহিলারা
শ্বশুরালয়ে বা
একাকী থাকে
, বেশীরভাগ তাদেরকে
বিষন্নতা রোগ
আক্রমন করে।
একে একটি
চমৎকার নামকরন
করা যায়
“দুবাই সিনড্রন
(Dubai syndrome)”/ “সৌদি সিনড্রম”
ইত্যাদি। সো,
প্রবাসিরা সাবধান
, বউয়ের সাথে
সুসম্পর্ক রাখুন
। নাইলে খবর
আছে ,বিষন্নতা
আপনার বউকে
বিষন্ন করে
ফেলবে।
5. মা-বাবা
যদি সন্তানদের
থেকে দূরে
থাকে সেক্ষেত্রে
তাদের বিষন্নতা
আক্রমন করে,
একে “এমটি
নেষ্ট সিনড্রম”(Emopty
nest syndrome) বলে।
হোমিওপ্যাথ
কনসালটেন্ট
ডাঃ
এম এইচ মোহন
মোবাইলঃ-
০১৭২০-৩৮২৬৪৬
মায়া
হোমিও হল
শাহরাস্তি,চাঁদপুর
Subscribe to:
Posts (Atom)




