Thursday, March 21, 2019

গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত বমি

অতিরিক্ত বমি করতে। এটা মাঝে মাঝে এতো অত্যাধিক হয় যে তা মায়ের স্বাস্থ্যের চরম অবনতি ঘটায় এমন কি স্বাভাবিক জীবন যাপন ও এসময় দুর্বিসহ হয়ে উঠে। সাধারণত প্রথম সন্তানের ক্ষেত্রেই এমন সমস্যা বেশী হয়ে থাকে। এই অবস্থা প্রথম তিন মাসের পর নিয়ন্ত্রনে চলে আসে। কোনো কোনো মায়ের ক্ষেত্রে এটা বংশগত ভাবেও এসে থাকে। গর্ভে একের অধিক সন্তান, হাইডাটিফর্ম মোল এবং অবৈধ সন্তান ধারণকারী মায়ের ক্ষেত্রে এর প্রবণতা অনেক অনেক বেশী।
হাইপারেমেসিস গ্রাভিডেরাম স্বল্পমাত্রার বা তীব্র মাত্রার হতে পারে। স্বল্প মাত্রার রোগীদের বমি যে কোনো সময়ই হতে পারে, খাবার সাথে বমির কোনো সম্পর্ক নেই। তবে বমির সাথে খাবার বের হয়ে আসা একটা স্বাভাবিক ঘটনা। এ ধরণের রোগীর স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হয় তবে এই অবস্থায় ও তারা খাবার দাবার চালিয়ে যেতে পারে। বাহ্যিক ভাবে গর্ভবতী মাকে অসুস্থ্য বা রুগ্ন মনে হয়না।
তীব্র মাত্রার রোগীদের সারাক্ষনই বমি অথবা বমি ভাব হয়। বমি না হলেও অনেক সময় এরা টক ঢেকুর বা বুকজ্বালা করা ইত্যাদি সমস্যার কথা বলে থাকে। এদের বমির তীব্রতা অনেক বেশী এবং বমির সাথে মাঝে মাঝে রক্তও চলে আসতে পারে। সাধারণত বমির রঙ হয় কফির রঙের, সেই সাথে পেটের উপড়ের অংশে ব্যথা, প্রসাব কমে যাওয়া বা না হওয়া, বিছানা থেকে নড়তে না পারা, সেই সাথে চোখে ঝাপসা দেখা, কোনো জিনিস দুটো দেখা, ক্লান্তি, চরম অবসাদ, বিভ্রান্তি সহ নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে।
অনেক সময় রোগীরা খুবই উদ্বিগ্ন থাকে, পানি শুন্যতায় ভোগে, তাদের নাড়ির গতি বেড়ে যায়, রক্তচাপ কমে যায়, জন্ডিস দেখা দেয় এমনকি মাঝে মাঝে অনেক কে এনকেফালোপ্যাথিতেও ভুগতে দেখা যায়।


No comments:

Post a Comment