শ্বেতী রোগে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
ডাঃ এম এইচ মোহন
================================
শ্বেতী রোগ(Leucoderma) এক ধরনের ‘অটো ইমিউন ডিজিজ। যেটা আমাদের দেশে ধবল রোগ নামেও পরিচিত। আর ইংরেজিতে যাকে বলা হয় লিউকোডার্মা বা ভিটিলিগো(Vitiligo)। রোগটি মরণ নয়, ঘাতকও নয়। তবে একবার শরীরে দেখা দেওয়ার পর ব্যবস্থা না নিলে আস্তে আস্তে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। শ্বেতী নিয়ে আমাদের সমাজে এখনও নানা কুসংস্কার আছে। যেখানে ইউরোপ-আমেরিকার বাসিন্দারা শ্বেতীকে অসুখের পর্যায়েই ফেলেন না। রোগের শুরুর দিকে সঠিক চিকিৎসা করাতে পারলে শ্বেতী থেকে মুক্তি সম্ভব।
শ্বেতীর
রোগের কারণ:
সন্দীপন ধর জানান, ত্বকের ভিতের থাকা মেলানোসাইট কোষ মেলানোজেনেসিস পদ্ধতিতে মেলানিন তৈরি করে। এই মেলানিনই ফর্সা বা কালো রঙের কারণ। মেলানোজেনেসিস প্রক্রিয়াটি ব্যাহত হলে ত্বক(Skin) হয়ে ওঠে দুধ সাদা। রোগ হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিজেরাই মেলানোসাইট কোষকে ধ্বংস করে দেয়। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার গোলযোগ থেকে রক্তে এক ধরনের শ্বেত কণিকা টি-লিম্ফোসাইট বেড়ে যায়। এরাই মেলানোসাইট কোষ ধ্বংস করে। এছাড়া গবেষণায় দেখা গেছে, ৩০ শতাংশ শ্বেতী রোগ(Leucoderma) বংশগত ভাবে হয়ে থাকে।
লক্ষণ ও উপর্সগ :
১. চুল, দাড়ি, গোঁফ, ভ্রম্ন এবং চোখের পাতা খুব কম বয়সে সাদা হয়ে যায়।
২. মুখের অভ্যন্তরীণ অঞ্চলের চামড়ার রং নষ্ট হয়ে যায়।
৩. ত্বকের বর্ণলোপ।
৪. ত্বকের এক বা একাধিক অঞ্চলের বর্ণলোপ।
৫. সমগ্র দেহের বর্ণলোপ।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, শ্বেতীর রোগের কোনও জ্বালা, ব্যথা(Pain) বা চুলকানি কিছুই থাকে না। এ রোগের প্রধান লক্ষণ হলো শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট সাদা ছোপ তৈরি হয়। ফলে ত্বক(Skin) আস্তে আস্তে সাদা হতে থাকে। এ ছোপগুলো ধীরে ধীরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এ সাদা দাগগুলো শরীরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
কিছু ঘরোয়া প্রতিকারঃ
১. আলু ত্বকের ওপর এবং কালো ছোপের ওপর খুব ভালো কাজ করে। আলুর পেস্ট ত্বকে লাগালে কিছু দিনের মধ্যেই এর প্রভাব দেখা যাবে। এর ফলে ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ কমে।
২. হলুদ, মেলানিনের মাত্রা কমাতে এবং ত্বককে উজ্জ্বল করার একটি প্রাকৃতিক উপাদান। এর পেস্টকে জলের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে, গলায় এবং হাতে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন, তারপরে ধুয়ে ফেলুন।
৩. শসা ত্বকে মেলানিনের মাত্রা কমানোর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপায়। কিন্তু এটি যথেষ্ট ধীরে কাজ করে। শসাকে কেটে নিয়ে অথবা এর পেস্ট বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। এ উপায়টি অসুখের ছাপ ত্বক থেকে সরাতেও কাজে লাগে।
৪. অ্যালোভেরা ত্বকের সব সমস্যার সমাধান করতে পারে। এটি ত্বককে উজ্জ্বল এবং সুস্থ রাখার জন্য ত্বকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, মিনারেল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদানের জোগান দেয়। এ ছাড়া এটির প্রভাবে ত্বকে মেলানিনের মাত্রা কমে যায় এবং ত্বক আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। অ্যালোভেরার পেস্ট ত্বকে লাগানোর পর সেটিকে শুকোতে দিন, যাতে সব প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো ত্বকে যেতে পারে এবং সমস্যার সমাধান হয়ে থাকে।
হোমিওপ্যাথিক
চিকিৎসাঃ
HOMEOPATHIC MEDICINES FOR VITILIGO &
LEUCODERMA.
Silicea 30: Best homeopathic remedy for people
with sensitive skin that appears waxy and pale. In such patients, the patches
or spots are not typically white but slightly rose-colored. There is extensive
sweating of the hands and feet. The fingertips also appear cracked with brittle
nails.
Arsenic Album: In some patients with vitiligo or
leucoderma, the skin may appear dry and rough. In addition to the white
patches, a person may complain of exhaustion and asthma (not in all patients).
The person may show signs of extreme restlessness and anxiety. They freak out
over cleanliness and neatness. Such patients benefit immensely from Arsenic
Album.
Calcarea Carb: This homeopathic medicine is used to
treat vitiligo where the patches appear milky white in color. There may be a
weakness in the bones as well.
Sepia: Effective homeopathic medicine
'Sepia' is used when people with vitiligo distance themselves from their
families and loved ones.
Nitric Acid 30: This homeopathic remedy is used in
the case of the white spots appearing at the mouth, nipples, nose, eyes, penis,
vulva (mucous junctions).
Also,
Sulfur, Psoralea Coryl 3X, Staphysagria, Borax, are other good homeopathic
remedies helpful in treating vitiligo and leucoderma.
হোমিওপ্যাথ কনসালটেন্ট
ডাঃ এম এইচ মোহন
লেকচারার,চাঁদপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
চেম্বারঃ
মায়া হোমিও হল-
মেহের কালিবাড়ী,
থানা রোড সংলগ্ন,
নূরপ্লাজা,
শাহরাস্তি,চাঁদপুর।
মোবাইলঃ 01720-382646
No comments:
Post a Comment